কলকাতাপশ্চিমবঙ্গশিরোনাম এই মুহূর্তে

পুজোয় বাইরে বেরোলে প্রত্যেকের মাস্ক পরা আবশ্যিক – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্ক : বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব শুরু হয়ে গেছে বলা যেতে পারে । কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে লোকজনের ভিড় ঠেকানো , গোষ্ঠী সংক্রমণ এর আশঙ্কা একটা থেকেই যাচ্ছে । এইরকম একটা চাপানউতোর পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব নির্দেশ দিয়েছেন , তা হল –

প্রথমত , প্রত্যেককে মাস্ক পরতে বাধ্য করাতে হবে প্রশাসনকেই । দ্বিতীয়ত , পুজোর সময় সহযোগিতা চেয়ে কেউ যাতে বঞ্চিত না-হন, প্রশাসনকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ।

এই করোনা পরিস্থিতিতে সংক্রমণ কিভাবে আটকানো যায় তা নিয়ে পুলিশ, সাধারণ প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি । মুখ্যসচিব , স্বরাষ্ট্রসচিব , রাজ্য পুলিশের ডিজি , কলকাতা পুলিশ কমিশনারের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকের কাজের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন ।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন , রাজ্য পুলিশ ১০ লক্ষ , কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভা পাঁচ লক্ষ করে মাস্ক বিতরণ করবে । এ ছাড়া সরকারের নির্ধারিত পুজো-বিধি পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের অফিসারদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে নবান্ন । প্রতিটি মণ্ডপে চোখে পড়ার মতো কোভিড-সচেতনতা প্রচার করা হচ্ছে কি না , তা দেখতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে ।

যবে থেকে পুজোর জন্য ছাড়পত্র মিলেছে কবে থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে অসচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে । বিশেষ করে  দোকানপাট, হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে যেভাবে মানুষের ভিড়ের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে চিন্তিত প্রশাসন ।

এদিন জেলা প্রশাসনের উদ্দেশ্যে নবান্ন থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে । এই সময় দরকার হলে কোভিড পরীক্ষা বাড়ানোরও ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে । সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সংক্রান্ত সহযোগিতা চাইলে প্রশাসনকে তৎক্ষণাৎ তার ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালে শয্যা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না-হয়, সেটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সের জোগান স্বাভাবিক রাখতে হবে প্রশাসনকেই। 

‘‘কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই সম্ভাব্য সমস্ত দিক থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তুতি চালিয়েছে রাজ্য সরকার । ফলে কেউ সাহায্য চেয়েও পাবেন না , এটা চলবে না ,’’ বলেন প্রশাসনের এক কর্তা ।

তাই স্থির করা হয়েছে পুজোর সময়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়াতে পুলিশের পাশাপাশি কোভিড-যোদ্ধা , সিভিক ভলান্টিয়ার , গ্রিন পুলিশকর্মীদেরও কাজে লাগানো হবে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button