-Advertisement-

করোনা ভাইরাসের ওষুধ তৈরি করল বাংলাদেশ : রেমডেসিভির

বাংলাদেশের খবর

সংবাদ ভাস্কর নিউজ : করোনা ভাইরাসের ওষুধের জন্য এসকেএফ জানিয়েছে, বিধি অনুযায়ী রেমডিসিভির নমুনা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীনস্থ ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবোরেটরিতে জমা দেওয়া হবে এবং ছাড়পত্র ও বাজারজাতের অনুমতি পাওয়ার পর কিছু দিনের মধ্যেই ওষুধটি বিতরণ শুরু করবে এসকেএফ।

-Advertisement-

মিন হোসেন বলেন, ‘ঔষধ প্রশাসন গত মার্চ মাসে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদনের পরপরই আমাদের ফরমুলেশন বিজ্ঞানীরা মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে রেমডেসিভির নিয়ে কাজ শুরু করেন। যেহেতু এটি একটি শিরায় দেওয়া ইনজেকশন, সে কারণে এর উৎপাদনে সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। দুই মাস ধরে এসকেএফ-কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এত কম সময়ে এটা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। ওষুধের মূল উপাদান সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি করে পর্যাপ্ত কাঁচামাল প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছি আমরা।’

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক বিল্লাল আলম প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ কোনো কিছুতে পিছিয়ে থাকে না, ওষুধ উৎপাদনে তো নয়ই। আশা করা যায়, বাংলাদেশ শুধু এই ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, রপ্তানিও করবে। ওষুধটি কীভাবে কাজ করবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু হাসপাতালে ওষুধটি প্রয়োগ করে দেখা গেছে, খুবই সংকটাপন্ন রোগীর ওপর এটা কাজ করছে। রোগীরা দ্রুত হাসপাতাল ছেড়েছেন এবং ভাইরাসের ঘনত্ব ওষুধটি কমিয়ে আনতে পারছে।

-Advertisement-

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কার্যকারিতা দেখিয়েছে রেমডেসিভির। গিলিয়েডের নিজস্ব পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ ব্যবহারে রোগীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মানুষের শিরায় ইনজেকশন হিসেবে এই ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। রোগের তীব্রতার ওপর এর ডোজ নির্ভর করে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য ৫ অথবা ১০ দিনের ডোজ প্রয়োজন হতে পারে।

-Advertisement-

সূত্র :সিমিন হোসেন

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-