আর মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে চলেছে ‘আমফান’!

Behala কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ
ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’এর গতিবিধি

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্কঃ আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, তারপরই বঙ্গের মাটিতে করাল থাবা বসাবে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ বা ‘উম্পুন’। India Meteorological Department বা IMD জানিয়েছে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে কিছু দূরে অবস্থিত এই মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার বিকেল নাগাদ প্রবল শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়তে চলেছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায়।

-Advertisement-

আবহবিজ্ঞানীরা জানান, সমুদ্রে জলতলের উষ্ণতা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই তা ঘূর্ণিঝড় তৈরিতে সাহায্য করে। উপকুলের কাছে আছড়ে পড়ার সময় কিছুটা শক্তি হারিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে। মঙ্গল এবং বুধ এই দুদিনই ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে কোন কোন এলাকায়। মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কেওনজহর জেলার ঝুমপুরা, কেওনঝার, পাটনা, সাহারপাড়া এবং চম্পুয়া ব্লকের জন্য বিপজ্জনক ঘূর্ণিঝড় এবং বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে; ওড়িশা সরকারের বিশেষ ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে ময়ূরভঞ্জ জেলার সুকরুলি, রারুয়ান এবং কারাজিয়া ব্লকে।

রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের জেলা আধিকারিক মৃত্যুঞ্জয় হালদার বলেন, ‘‘সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা।’’ ৪৩টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, ৩০টি বন্যাত্রাণ কেন্দ্র এবং প্রতিটি কেন্দ্রের কাছাকাছি তিনটি স্কুলবাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিপদাক্রান্তদের জন্য। এদিকে, জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ) ঘূর্ণিঝড় আম্ফানকে সামনে রেখে তার ১০ টি দল ওড়িশায় এবং সাতটি দল পশ্চিমবঙ্গে পাঠিয়েছে। এনডিআরএফ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং রাজ্য এবং তাদের দুর্যোগ পরিচালনার দল এবং আইএমডি নিয়ে কাজ করছে।

-Advertisement-

…ARC

-Advertisement-

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-