হিউম্যান রাইটস এসোসিয়েটস অফ ইন্ডিয়ার উদ্যোগে ত্রান পৌঁছালো সুন্দরবনে

দুর্গাপুর পশ্চিমবঙ্গ

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্কঃ আম্ফান-বিধ্বস্ত সুন্দরবনের অবস্থা এখনও ভয়াবহ। গৃহহীন অন্নহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এখনও অসংখ্য মানুষ।

-Advertisement-

অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মত এই চরম দুর্দশাগ্রস্থ মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দুর্গাপুরের ‘হিউম্যান রাইটস এসোসিয়েটস অফ ইন্ডিয়া’। গত বুধবার সুন্দরবনের আমফান বিধ্বস্ত এলাকায় “ভালোবাসার সুন্দরবন” শীর্ষক একটি কর্মসূচী পালন করা হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে সুন্দরবন এলাকার মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয় চাল, ডাল,আটা,সোয়াবিন বড়ি, লবন,চিঁড়ে,গুড়,মুড়ি,ছাতু, আলু, পেঁয়াজ, গুড়ো দুধ,হরলিক্স, বিস্কুট, চানাচুর,কেক,সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার,মশা মারা ধুপ ও কয়েল, দিয়াশলাই, টর্চ, নতুন স্কুলের পোষাক, শাড়ী,নাইটি, মহিলাদের অন্তর্বাস, স্যানিটারী ন্যাপকিন,পুরাতন জামাকাপড়,চাদর,কম্বল, ব্লিচিং পাউডার ইত্যাদি। এই কাজে হিউম্যান রাইটসের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেন সগড়ভাঙ্গা সচেতন সমিতি, দুর্গাপুর আরাধনা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, সিটি সেন্টার মাড়োয়ারী সমাজ, সহ – মহানাগরিক ডি.এম. সি.অনিন্দিতা মুখার্জি, কোক ওভেন থানার আধিকারিক সন্দীপ দাস, ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের আধিকারিক মইনুল হক,বিশিষ্ট সমাজসেবক আবু জাফর,গৌতম দাস,উদয় চ্যাটার্জী সহ বহু মানুষ জন।

এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চসহ বিভিন্ন গণসংগঠন বিভিন্ন জায়গায় স্টোর তৈরী করে জনতা রান্নাঘর পরিচালনা করছেন। সেখান থেকে রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার ভ্যান কিংবা নৌকার মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে দূর্গত গ্রামগুলিতে। এছাড়াও সংগঠিত হচ্ছে চিকিৎসা শিবির। হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার অনুরোধে মূলত “আট থেকে আঠারো” বছরের মেয়েদের সচেতনও করা হচ্ছে ইনফেকশন আটকাতে স্যানিটারী ন্যপকিন ব্যবহার করার জন্য। এরকম একটি স্টোর সেন্টার চলছে হাসানাবাদ এলাকায় বেলিয়াডাঙা প্রাইমারী স্কুলে। যেখান থেকে পরিচালিত হচ্ছে আটটি জনতা রান্নাঘর।

-Advertisement-

সবরকমভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে এই অসহায় মানুষগুলোকে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে রাখার।

-Advertisement-

…ARC

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-