-Advertisement-

সামনের সপ্তাহে কী পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ? মায়া ক্যালেন্ডারের উল্লেখ –

জ্যোতিষী বিভাগ

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্ক : যেখানে সারা বিশ্বে করোনা নিয়ে মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে সেই সময় আরেকটা দুঃসংবাদ শোনা যাচ্ছে মায়া ক্যালেন্ডারের হিসাবে আগামী সপ্তাহেই ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী ।
সূত্রের খবর : ইতিহাসবিদরা বলছেন, এই মায়া ক্যালেন্ডার শুরু হয়েছে আজ থেকে হাজার ১২৫ বছর আগে। হিসাব দেখাচ্ছিল, এই ক্যালেন্ডার শেষ হচ্ছে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর। তাই দেখেই ‘কনস্পিরেসি থিয়োরিস্ট’রা বলেছিলেন, সেই দিনেই পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে। মায়া ক্যালেন্ডার ফুরিয়ে যাওয়া এই ধ্বংসেরই ইঙ্গিতবাহী। কিন্তু সেদিন কিছুই হয়নি। সবাই ভেবেছিল পুরো বিষয়টিই গুজব।
কিন্তু এতদিন পরে, মানে প্রায় ৮ বছর পরে গবেষকরা নিজেদের হিসাবের একটি ভুল খুঁজে বের করেছেন। আর সেই ভুল বলছে, মায়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আমরা এখন যে সালে আছি, সেটাই ২০১২। যেহেতু গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ১১ দিনে মায়া ক্যালেন্ডারের এক দিন করে পরিবর্তন হয় এবং এই ক্যালেন্ডার ১৭৫২ থেকে শুরু, ফলে তার হিসাবটা দাঁড়ায় ২৬৮ বছর পেরিয়েছে, অর্থাৎ, আসলে ২৬৮ কে ১১ দিয়ে গুণ করলে হয় ২৯৪৮ দিন। ২৯৪৮ দিনকে ৩৬৫ দিয়ে ভাগ করলে হয়, বছর।
মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদর অঞ্চলগুলো জুড়ে প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন মায়া সভ্যতা ছিল অত্যন্ত উন্নত একটি সভ্যতা, যারা গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, স্থাপত্যবিদ্যা সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের জ্ঞানের স্বাক্ষর রেখে গেছে। তারা অত্যন্ত সুচারুভাবে দিন-তারিখের হিসেব লিপিবদ্ধ করত। তাদের ক্যালেন্ডার ছিল আমাদের বর্তমান ক্যালেন্ডার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। অক্ষর এবং সংখ্যার পরিবর্তে সেখানে ছিল হায়ারোগ্লিফিক চিত্রের সমাহার, যদিও গবেষকগণ সেগুলোর মর্ম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। ধারণা করা হয়, অন্তত খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী থেকেই মায়ানদের ক্যালেন্ডার প্রচলিত ছিল।
বিজ্ঞানী পাওলো তাগালোগিউনের মতে, হিসাব থেকে বাদ যাওয়া দিনগুলো যোগ করলে মায়া সভ্যতায় নির্ধারিত, পৃথিবীর শেষ দিন হল ২০২০ সালের ২১ জুন। তবে বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক হিসেবেও কোনও ভুল আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। সূত্র : গালফ নিউজ

-Advertisement-
Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-