-Advertisement-

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এফআইআর জমা পরল কোতোয়ালি থানায় –

পশ্চিমবঙ্গ

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্ক : বিজেপি রাজ্য সভাপতি সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লকডাউন এ নিয়ম ভাঙার অপরাধে কোতোয়ালি থানায় এফআইআর দায়ের করল পুলিশ ।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য – “লকডাউনের নিয়ম ভাঙার জন্য যদি তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়ে থাকে তাহলে একই কারণে জেলাশাসক,
পুলিশ সুপার ও তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেও তা করা উচিত বলে মনে করে বিজেপি”।
লকডাউন এ নিয়ম না মেনে দেহ নিয়ে মিছিল করার অভিযোগে রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত, রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন ঘোষ সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ।

-Advertisement-


পশ্চিম মেদিনীপুরের বিজেপি জেলা সভাপতি সমিতকুমার দাসের বক্তব্য, “যদি লকডাউনের নিয়ম ভাঙার জন্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়ে থাকে ভাল। তা হলে একই অপরাধে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলার তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেও
স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা উচিত পুলিশের” । দেহটি ছিল নিহত বিজেপি কর্মী পবন জানা ।
অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা সভাপতি জানিয়েছেন – “পুলিশ যা করেছে ঠিক করেছে। পুলিশের উচিত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এরা শুধু রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করে। দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায় না”।
নিহত বিজেপি কর্মী পবন জানা ১৭ তারিখ সন্ধ্যাবেলায় , দাঁতনের কুসমি গ্রামে গৃহ সম্পর্ক যাত্রায় বের হন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা । আর ঠিক সেই সময়ই লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপরে আচমকা হামলা করে এক দল দুষ্কৃতী।
আহত বিজেপি কর্মীদের দাবি হামলাকারীরা সকলে তৃণমূল আশ্রিত বলে অভিযোগ । ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন ছ’জন বিজেপি কর্মী। তাঁদের প্রথমে দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দু’জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সেখান থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে পবন জানা নামে এক কর্মীর অবস্থার অবনতি হয়।


তাঁকে কলকাতায় পাঠানো হয়। পরের দিন বিকেলে পবনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি যে বিজেপির হামলায় তাদের দুই কর্মী আহত হয়েছে । বিজেপির বিরুদ্ধে তারা অভিযোগও দায়ের করে।
পবন জানার মৃত্যুর খবর আসতেই বিজেপি জেলাজুড়ে প্রতিবাদ শুরু করে । দাঁতন থানার সামনে শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ। দীর্ঘক্ষণ পরে বিক্ষোভ তুলে নেয় বিজেপি। তার আগে থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। পুলিশ শাসকদলের হয়ে কাজ করছে বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।
গত শনিবার নিহত পবন জানাকে শ্রদ্ধা জানাতে পশ্চিম মেদিনীপুরে যান দিলীপ ঘোষ। তাঁর উপস্থিতিতে মেদিনীপুর থেকে মরদেহ দাঁতনে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় নেতা জ্যোতির্ময় সিং মাহাত-সহ অন্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

-Advertisement-
Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-