-Advertisement-

পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার অনুমতি দিচ্ছেন না পশ্চিমবঙ্গ সরকার , জানালেন বম্বেহাইকোর্ট –

দেশের খবর শিরোনাম এই মুহূর্তে

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্ক : শ্রমিক সংগঠনের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে , বম্বেহাইকোর্ট জানিয়েছেন –
করোনা মহামারীতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়টি ঠিকমতো পরিচালনা করতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গের সরকার । একটা সময়, ভিন রাজ্যে কর্মরত বাঙালি শ্রমিকদের নিজের রাজ্যে ফেরার অনুমতিটুকু পর্যন্ত দিতে চায়নি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ।
রাজ্য সরকারের বিড়ম্বনা আরও বাড়িয়ে দিল বোম্বে হাইকোর্টের রায় । ঠিক বিধানসভার আগে বোম্বে হাইকোর্টের রায় , তৃণমূল সরকারের জন্য যে মোটেই সুখবর নয় , মনে করছেন রাজ্যের বিরোধী দলগুলি ।
লকডাউন মহামারীর মধ্যে , পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা নিয়ে খবরের কাগজের পাতায় প্রত্যেকদিন শিরোনামে উঠে আসত ।
রাজ্য সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে এই পরিযায়ী শ্রমিকদের স্থিতি নিয়ে কোনো-না-কোনোভাবে কোনো-না-কোনো ভাবে বিরোধিতা সব সময় লেগেই থাকতো ।

-Advertisement-


করোনা ও লকডাউনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিযায়ী শ্রমিকদের কী দুর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, সে নিয়ে বোম্বে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে একাধিক কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন। মহারাষ্ট্রে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করে মুম্বইয়ের একটি শ্রমিক সংগঠন। গত মাসে কেন্দ্র আদালতকে জানিয়েছিল, পরিযায়ীদের ঘরে ফেরানোর জন্য আপাতত কোনও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের চাহিদা নেই। মঙ্গলবার মামলাকারীদের আইনজীবী গায়েত্রী সিং আদালতে জানান,আর কোনও শ্রমিক নিজের রাজ্য়ে ফিরে যেতে চান না, এটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য ।
এখনও ৫৬ হাজার শ্রমিক ভিন রাজ্যে আটকে । তাদের বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের ।
বোম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন , আপনি পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি জানেন? সেখানে তো এক সময় সরকারই পরিযায়ীদের ঘরে ফেরানোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করছিল। এরপরই প্রধান বিচারপতির মন্তব্য,”আমরা কারও বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। কিন্তু বাংলায় পরিযায়ী পরিস্থিতি ঠিকমতো দেখা হয়নি।”
বাংলার পরিযায়ীদের দুরবস্থার কথা বলতে গিয়ে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলায় আটকে থাকা ৩০ জন বাঙালি শ্রমিকের উদাহরণ দেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। বলেন,”ওই শ্রমিকরা নিজেরা বাস ভাড়া করে বাড়ি ফিরেছিলেন। একজন শ্রমিকও রাজ্য সরকারের ভরসায় বসে থাকেননি।”

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-