-Advertisement-

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ধারালো অস্ত্রের কোপ বৌদিকে-

কলকাতা শিরোনাম এই মুহূর্তে

সংবাদ ভাস্কর নিউজ ডেস্ক: গতকাল দুপুরে সুলতান আনসারী নামে এক ব্যক্তি নিজের বৌদি ও দুই ভাইজি কে মাথায় শিলনোড়া দিয়ে আঘাত করে তারপর ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে তাদেরকে হত্যা করার চেষ্টা করেন । ঘটনাটি ঘটেছে খাস কলকাতার একবালপুরে ।

-Advertisement-

পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিন দুপুরে একবালপুর থানায় আসে বছর পঁচিশের ওই যুবক । ডিউটি অফিসারের টেবিলে এসে জানায় , সে আত্মসমপর্ণ করতে চায়। কী কারণে সে আত্মসমপর্ণ করতে চাইছে , তা জানতে চাওয়া হলে সুলতান জানায় , সে তিন জন মহিলাকে খুন করে এসেছে । এ কথা শুনেই সঙ্গে সঙ্গে ওই যুবককে আটক করে তার দেওয়া ঠিকানা ৬০/এইচ/১২ নম্বর ডক্টর সুধীর বসু রোডে পৌঁছয় পুলিশ । গিয়ে দেখে , সেখানে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন এক মহিলা ও তাঁর দুই মেয়ে । সকলেরই মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের ক্ষত । গলায় ও হাতে কাটা দাগ । সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশ এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যায় । কিন্তু অভিযুক্তের বৌদি আকিদা খাতুনকে (৪৫) চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন । তাঁর ২০ ১৭ বছরের দুই মেয়ের অবস্থা সঙ্কটজনক । চিকিৎসা চলছে ।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে , সুলতান আনসারী নিহত আকিদা খাতুনের মামাতো দেওর । পারিবারিক কোনো অশান্তির কারণেই বোধহয় এই খুন । কিন্তু স্থানীয় একটি সূত্রের খবর বলছে অন্য কথা । সুলতান তার নিজের বৌদি আকিদার বড় মেয়ে অর্থাৎ তার বড় ভাইজি কে মনে মনে ভালবাসত এবং সেই মেয়েটিকে বিয়ে করবে বলে আকিদা ও তার স্বামী কে বিয়ের প্রস্তাবও দেয় । কিন্তু কোনো কিছুতেই যখন সুলতানের ইচ্ছেকে সায় দেওয়া হলো না তখন গতকাল দুপুরে রাগেতে সে আকিদার বাড়িতে যায় । এবং সেই সময়ে সেই বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হতে হতে আচমকাই শিলনোড়া দিয়ে আকিদা ও তার দুই মেয়ের মাথায় আঘাত করে তার সঙ্গে ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে একবালপুর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে । আকিদার স্বামী সেই সময় বাড়িতে না থাকায় পরে এসে তিনি ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন বাড়ির সামনে লোকের ভিড় দেখে ।

-Advertisement-

পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় একবালপুর থানার পুলিশ এবং লালবাজারের হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দারা । ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ শুধু শিলনোড়া টি উদ্ধার করতে পেরেছে ।

-Advertisement-

SRC

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-