-Advertisement-

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বড়সড় একটি সৌর ঝড়ের আশঙ্কা , এমনটাই জানিয়েছে নাসা

World

সংবাদ ভাস্কর ডিজিটাল ডেস্ক : আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বড়সড় একটি সৌর ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। যার কারণে যথাযথভাবে কাজ করবেনা মোবাইল নেটওয়ার্ক কিংবা আশঙ্কা রয়েছে লোডশেডিংয়ের। এমনটাই জানাল আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসা এবং ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) ।

-Advertisement-

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনাল ম্যাটেরিয়াল ইজেকশন (সিএমই) পৃথিবীতে তীব্র শক্তি নিয়ে আঘাত হানতে পারে। যার কারণে সৌর ঝড়ের বড়সড় আশঙ্কা রয়েছে। বৈজ্ঞানিকরা আশঙ্কা করছেন যে এই ভয়ঙ্কর ঝড় আঘাত হানতে পারে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে।


এই ঝড় পৃথিবীতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে চলেছে। এর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে হবে ৪২৯ থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। দ্য সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ইন স্পেস সায়েন্সেস ইন্ডিয়া (সিইএসএসআই) জানিয়েছে, বর্তমানে সূর্য এবং পৃথিবীর কাছাকাছি মহাকাশের পরিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। যার প্রভাব জিপিএস সিস্টেমে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

-Advertisement-


ক্ষতির পরিমাণ কতটা ?
যদি এই সৌর ঝড়টি বৈজ্ঞানিকদের আশঙ্কা অনুযায়ী সত্য হয়, তাহলে পৃথিবীতে প্রবল বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও খারাপ প্রভাব পড়বে রেডিও সিগন্যালে। নানান বাধার সম্মুখীন হবেন রেডিও অপারেটররা। পাশাপাশি একই ফল ভোগ করবেন জিপিএস ব্যবহারকারীরাও। মোবাইল ফোনের সিগন্যালও চলে যেতে পারে। এর ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে G2। অবশ্যই এটি G5 এর মতো বিপজ্জনক নয়, তবে তবুও এটি অনেক ক্ষতি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

-Advertisement-


সৌর ঝড়কে ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় এবং সৌর ঝড়ও বলা হয়। সূর্য থেকে নির্গত বিকিরণ, যা সমগ্র সৌরজগতকে প্রভাবিত করতে পারে। এটিকে একটি বড়সড় দুর্যোগ বললে খুব একটা ভুল হবে না। মূলত সৌর ঝড় সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে। এছাড়াও পৃথিবীর চারিপাশে বেষ্টন করে থাকা বায়ুমণ্ডলের উপর ও শক্তিশালী প্রভাব পড়ে। তবে এই ধরনের সৌর ঝড় এই প্রথম নয়, ১৯৮৯ সালে সৌর ঝড়ের কারণে কানাডার কুইবেক শহরে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুত্‍ ছিল না। এছাড়াও ১৮৫৯ সালে এই ধরনের সৌর ঝড়ের কারণে আমেরিকা এবং ইউরোপের টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কগুলিকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-