-Advertisement-

স্বামী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ডেপ মেনে নিল আদালত

বিনোদন

প্রিয়াঙ্কা আইচ ভৌমিক , সংবাদ ভাস্কর বিনোদন ডেস্ক : বধূ নির্যাতনকারীর তকমা ঘুচল! প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় জিতে গেলেন আমেরিকান অভিনেতা জনি ডেপ।
এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে সবচেয়ে চর্চিত বিবাহবিচ্ছেদ মামলা জনি ডেপ বনাম অ্যাম্বার হার্ড।

-Advertisement-

২০১৬ সালের মে মাসে বিচ্ছেদের আবেদন করেন হলিউড তরকা দম্পতি জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড। বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালে। তবে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও আইনি লড়াইয়ে ইতি পড়েনি। ২০১৮ সালে জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী।

এর পরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন জনি। অভিনেতা মিথ্যা বলছেন দাবি করে পাল্টা মামলা করেন অ্যাম্বারও। এই জোড়া মামলার জের ধরে ছয় সপ্তাহের শুনানিতে তাদের মধ্যকার তিক্ত সম্পর্কের নানা দিক বেরিয়ে আসে।

-Advertisement-

গার্হস্থ্য হিংসা, যৌন নির্যাতন , এমনকি ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বুধবার কার্যতই পুনর্জীবন পেলেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা জনি ডেপ। প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে আনা মানহানি মামলায় আদালতের রায় তাঁর পক্ষেই গিয়েছে।

-Advertisement-

আদালতের জুরি সদস্যরা জানিয়েছেন, অ্যাম্বার গার্হস্থ্য হিংসার যে অভিযোগ জনির বিরুদ্ধে এনেছিলেন তা মিথ্যা এবং অবমাননাকর। জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ আনার পিছনে অ্যাম্বারের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলেও আদালত জানিয়েছে।

জনির ভাবমূর্তি নষ্ট করা, তাঁর বদনাম করাই যে লক্ষ্য ছিল অ্যাম্বারের, তা মেনে মেনে নিয়েছে আদালত।অ্যাম্বারকে ১৫ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১৭ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জনি ডেপ অ্যাম্বারকে দুই মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেবেন।

উত্তাল ছিল দু’পক্ষের অনুরাগী মহলও।
মিস্টার ডেপ আদালতে ছিলেননা তার পূর্ব নির্ধারিত কাজে ব্যস্ততার জন্য। তবে বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “জুরিরা আমাকে আমার জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমি সত্যিই অভিভূত”।

“সত্য কখনো হারায় না,” বলছিলেন তিনি।

অন্যদিকে অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড এক বিবৃতিতে জুরিদের সিদ্ধান্তকে ‘হৃদয়বিদারক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

তার দাবি জুরিরা তার পক্ষে থাকা প্রমাণগুলোকে উপেক্ষা করেছেন।

“আমি দু:খিত যে মামলায় হেরেছি। কিন্তু আমি আরও দুঃখিত এই কারণে যে আমেরিকান হিসেবে মুক্তভাবে কথা বলার যে অধিকার আমার আছে- মনে হচ্ছে সেটিই আমি হারিয়েছি”।

মিস হার্ডের একজন মুখপাত্র বলেছেন তিনি জুরিদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন।

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-