-Advertisement-

দুর্গাপুর নগর নিগমের অবহেলায় সমষ্টি উন্নয়নে নির্মিত শৌচালয় এখন ভবঘুরে, সমাজবিরোধীদের আস্তানা

দুর্গাপুর

সংবাদ ভাস্কর ডিজিটাল ডেস্ক : বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেন নগর নিগমের বিগত পুরবোর্ড কখনোই পৌর পরিসেবা নিয়ে ঠিকঠাক কাজ করেনি। উন্নয়নে যে টাকা সরকার থেকে এসেছে সেই টাকা সঠিকভাবে ব্যায় করা হয়নি। কোথাও কোথাও কোন কাজ হলেও এলাকার দাদারা কাটমানি খেয়েছেন অথবা দলীয় ঠিকাদারদের মাধ্যমে টাকা লুঠ হয়েছে।

-Advertisement-

দেখনদারি কিছু কাজ হলেও তা সঠিক দেখভালের অভাবে কোন কাজেই লাগে নি। এর উদাহরন সমষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পে তৈরী শৌচাগার। তৈরীর পর ঠিকাদার তার পয়সা পেয়ে যাওয়ার পর সেগুলি দেখভালের অভাবে বেওয়ারিশ সম্পত্তির মত রাস্তার ধারে পড়ে আছে।

কোনটা কয়েকদিন চলার পর বন্ধ, কয়েকটা আবার চালুই হয়নি। শৌচাগারের ঘরগুলি এখন ভবঘুরেদের আস্তানা। কোনটিতে আবার স্থানীয় ও বহিরাগত সমাজবিরোধী দুস্কৃতিদের মদের ঠেক, জুয়ার আড্ডা। সমস্যায় এলাকার মানুষ। পৌরপিতারা অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র। পৌরসভার মেয়র পারিষদরা ব্যস্ত পদকে ব্যবহার করে নিজের দিকে ঝোল টানতে।

-Advertisement-

এখন তো আবার পৌর বোর্ডের মেয়াদ শেষ। গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে এড়িয়ে বসেছে প্রশাসক বোর্ড। নেতারা সকলেই ব্যস্ত নিজের দিকে নজর টেনে আগামীদিনের জন্য ঘু্ঁটি সাজাতে, জনতার ফরিয়াদ শুনবে কে! ডঃ জাকির হোসেন এভিন্যু, বিবেকানন্দ হাসপাতালের উল্টোদিকে তৈরী শৌচাগার বন্ধ হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন।

-Advertisement-

হাসপাতালে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী আসে। রোগীর পরিজনরা আসে। সরকারী প্রকল্পে তৈরী শৌচাগার আছে অথচ ব্যবহার করার উপায় নেই। ওটা দখল হয়ে আছে। তৈরী হয়েছে মদ জুয়ার ঠেক। জনতা বিশেষত মহিলারা নিরুপায়, ব্যবহার করতে পারেন না শৌচালয়।

নগর নিগমও এদিকে দৃষ্টি দেয় না, দৃষ্টি দেয় না পুলিশ প্রশাসনও। হয়তো জনকল্যানে তৈরী এই শৌচাগার আগামীদিনে পরিণত হবে কোন অপরাধের আঁতুড়ঘরে। একই রকম অবস্থা পাম্প হাউস মোড়ের শৌচালয়টিতেও। এটিও বন্ধ।

পরিসেবা শুরুই হয়নি। শৌচালয়ের গায়ে রমরমিয়ে চলছে রেস্টুরেন্টের ব্যবসা। হয়তো এখানে অর্থের বিনিময়ে মদত দিচ্ছে কেউ।
এদিকে গলায় রজনীগন্ধার মালা পরে সম্বর্ধনা নিচ্ছেন পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসা নতুন প্রশাসকরা। দুর্গাপুরবাসী আছে সেই তিমিরেই।

Share this page:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-Advertisement-